শনিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২২, ১১:১৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
কলাপাড়ায় খাল দখল করে তোলা বহুতল ভবন ভেঙ্গে ফেলছে জেলা প্রশাসন।। কচুয়ায় অগ্নিকান্ডে পুড়েছে ৫টি বসতঘর কচুয়ার তেতৈয়া সপ্রাবি’র ভোট কেন্দ্র স্থানাস্তরের চেষ্টার অভিযোগ ॥ ক্ষোভ চরমে! কলাপাড়ায় করোনাকালীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন। কলাপাড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ।। কলাপাড়ায় গভীর রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন, অর্ধলক্ষ টাকা চুরির অভিযোগ।। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সৈকতের প্লাস্টিক বর্জ্য ও ছেড়া জাল অপসারন।। কলাপাড়ায় ফৌজদারী অপরাধে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষিকা শ্রীঘরে।। বেলাবতে দৈনিক কালের নতুন সংবাদ পত্রিকার ৪ র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কলাপাড়ায় ১০ অসচ্ছল সাংস্কৃতিক কর্মীকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক প্রদান।। 

প্রকাশক প্রনোদনায় প্রয়োজন সরকারের সহযোগিতা বশিরুজ্জামান বশির

বাংলাদেশ প্রকাশনা শিল্পে আধুনিক মান রক্ষা করলেও এর পিছনে যারা শ্রম দেয় তাদের কথা এখন কেউ ভাবেনা। তার ভেতর প্রকাশক, লেখক অন্যতম। বেশির ভাগ প্রকাশক এখন খারাপ সময় পার করছে। আমরা ক্ষুদ্র প্রকাশক আছি কমপক্ষে ২০০। এই ২০০ প্রকাশক এরা চোখে মুখে লবণ, মরিচ দিয়ে যতই চোখের জল ফেলি কোনো লাভ হবেনা। এতে সরকারের মন গলবে না।
সরকারের মন গলাতে হলে প্রথম গ্রেড এর ৩৫ টি দ্বিতীয় গ্রেড এর ৬০ টি ও তৃতীয় গ্রেড এর ১৭০ টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত পত্র-পত্রিকায় লিখতে হবে। পাশাপাশি মানব বন্ধন, সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রকাশক সমস্যা তুলে ধরতে হবে। তাহলে সরকারের মন গলানো সহজ হবে। কারণ প্রথম গ্রেড প্রকাশকদের সাথে দেশের সকল এমপি,মন্ত্রীর সাথে নিয়মিত ওঠাবসা করা হয়। এমনকি কোথায় কোন ধরনের প্রনোদনা বরাদ্দ আছে তারা সব যানে। হয়তো তারা বড় কোনো আশায় থাকার কারণে আমাদের কথা ভাবার সময় নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সকলের কাছে সঠিক ভাবে দাবি তুলতে পারলে আমাদের মতো ক্ষুদ্র ২০০ প্রতিষ্ঠান সহ সবার জন্য প্রনোদনা আদায় করা সম্ভব। তারা যদি সঠিকভাবে বিষয়টি তুলে ধরে তাইলে প্রকাশকদের জন্য ভালো কিছু পাওয়া সম্ভব। প্রতিবছর সরকারি টেন্ডারে যে পরিমাণ বই কেনা হয়। সেখানেও আমরা ফকিরের মতো ৮ বা ১০ হাজার টাকার বই বিক্রি করতে পারি। আর যাদের মাথায় তেল আছে তারা আরো তেল কেনার জন্য তারা বছরে ১০ লক্স টাকার বই বিক্রি করে রাতারাতি গাড়ি বাড়ির মালিক হয়ে যায়! তারা আমাদের কথা সরকারকে কেনো বলবে! তাইলে যদি অন্য সুবিধা হাতছাড়া হয়ে যায় তাই! আমি আমার ক্ষুদ্র ঞ্জানে যা বুঝি তা হলো এ গ্রেড প্রকাশকরা না বললে বা দৌড়াদৌড়ি না করলে আমরা কোনোদিন প্রকাশক প্রনোদনা পাবো না। বিষয়টি নিয়ে যদি কারো কিছু করার থাকে তাহলে এই লেখাটি সাহস করে মিডিয়ায় প্রকাশের জোর দাবি জানাচ্ছি। সব শেষে আবার বলতে চাই এ ্গ্রেড প্রকাশক সরকারের কাছে প্রকাশক প্রনোদনা চাইলে সরকারের মন নরম হবে। আর সরকার চাইলে আমরা সকলে উপকৃত হবো। প্রকাশনা শিল্প আবার ঘুড়ে দাঁড়াবে আগের মতো।
লেখক : কবি-সাহিত্যিক, সমালোচক
প্রকাশক : রাতুল গ্রন্থপ্রকাশ
বাড়ি ৫/১,রোড ১, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭
bashiruzzamanbashir@gmail.com

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত